Ayodhya Ram Mandir: কিভাবে এবং কোথা থেকে যাবেন কতইবা টাকা খরচ ?

 রাম মন্দির:-ভারতে উত্তরপ্রদেশ অযোধ্যায় একটি আংশিকভাবে নির্মাণ হিন্দু মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। অনেকে বিশ্বাস করেন হিন্দু ধর্মের প্রধান দেবতা। এটি রামের পৌরাণিক জন্মভূমি।


স্থাপন:- এই মন্দিরটি স্থাপন করা হয় ২২ জানুয়ারি ২০২৪এ প্রাণ প্রতিষ্ঠাতা অনুষ্ঠানের পর । যা এখানে রামলালা (রামের শিশু রূপ) পূজা করা হয়।

মন্দিরটি কিভাবে তৈরি হলো?

মন্দিরের স্থানটি ভারতে হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার বিষয়, কারণ এটি বাবরি মসজিদ মসজিদের পূর্ববর্তী অবস্থান, যা 1528 থেকে 1529 সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। রাম ও সীতার মূর্তিগুলি মসজিদে স্থাপন করা হয়েছিল। 1949, 1992 সালে এটি আক্রমণ এবং ভেঙে ফেলার আগে । 2011, 2012, 2013, 2019 সালে, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একটি মন্দির নির্মাণের জন্য হিন্দুদের বিতর্কিত জমি দেওয়ার রায় প্রদান করে , যেখানে মুসলমানদের একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য ধন্নিপুরের কাছাকাছি জমি দেওয়া হয়েছিল । [১৪] আদালত আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই) এর একটি প্রতিবেদনকে প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করেছে যেটি ভেঙ্গে ফেলা বাবরি মসজিদের নীচে একটি কাঠামোর উপস্থিতির পরামর্শ দিয়েছে, যা অ- ইসলামিক বলে প্রমাণিত হয়েছিল । [১৫]


5 আগস্ট 2020-এ, রাম মন্দির নির্মাণের সূচনার জন্য ভূমি পুজন ( অনুবাদ।  গ্রাউন্ড ব্রেকিং অনুষ্ঠান ) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল । [১৬] মন্দির কমপ্লেক্স, বর্তমানে নির্মাণাধীন, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট দ্বারা তত্ত্বাবধান করা হচ্ছে। 22 জানুয়ারী 2024-এ, মোদী অনুষ্ঠানের আচার-অনুষ্ঠানের মুখ্য যজমান ( অনুবাদ  প্রধান পৃষ্ঠপোষক ) হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্টা ( অনুবাদ  পবিত্রকরণ ) করেছিলেন। [১৭] [১৮] শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রে প্রাণ প্রতিষ্টা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল । [১৯] [২০]


মন্দিরটি ভারতীয় জনতা পার্টির দ্বারা অনুদানের অপব্যবহার, এর প্রধান কর্মীদের সাইডলাইন এবং মন্দিরের রাজনীতিকরণের কারণে বেশ কয়েকটি বিতর্ককে আকৃষ্ট করেছে



এবার জানা যাক কিভাবে যাবো?
যারা শিয়ালদা থেকে আসবে তারা প্রথমে ব্যারাকপুর আসতে হবে তারপর ৯:৩৪ am বিবাদীবাগ লোকাল ধরে কলকাতা স্টেশনে আসতে হবে। কলকাতা স্টেশনে ৩ নম্বর প্লাটফর্মে জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস ১১:৪৫ এ ছাড়বে। আর অযোধ্যা আসতে সময় লাগবে ১৮ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট। মোট ৮৮০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সকাল ছ ৬:২১ নাগাদ অযোধ্যায় নামানো হবে। স্টেশন থেকে নেমে হেঁটে মাত্র১৫ মিনিট পথ অতিক্রম করলেই পেয়ে যাবেন রাম মন্দির। আর মন্দিরে যাওয়ার পথে রাস্তা দুপাশ দিয়ে মিলবে প্রচুর লঙ্গরখানা সেখানেই  মিলবে রামের প্রসাদ একদম ফ্রিতে। রামের জন্ম হয়েছে আপনাদের কারোকে অভুক্ত থাকতে হবে না। মন্দিরে দুটি লাইন থাকে সেখানে বাহিনীদের দিয়ে চেকআপ করে প্রবেশ করানো হয় ভিতরে। মন্দিরে ভিতরে কোন মোবাইল বা ক্যামেরা বা ইলেকট্রিক কোন গেজেট প্রবেশ নিষেধ। সেখানে মোবাইল বা ব্যাগ বা জুতো রাখার বন্ধবস্থা করা আছে। আপনি চাইলে সেখানে জমা রেখে মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন। এখানে পুজ দিয়ে আপনারা  মন্দিরা বাইরে এসে লঙ্গরখানা থেকে প্রসাদ গ্রহণ করে আপনাদের হোটেলে বিশ্রাম নিন তারপর সন্ধ্যা বেলায় সন্ধ্যা আরতি দেখে নিন । আপনারা চাইলে ধর্মশালাতেও থাকতে পারে না এখানকার ভাড়া হোটেলের তুলনায়। অনেক কম কিন্তু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে চাইলে আপনারা সেখানে থাকতে পারেন। আর ফ্লাইটে আসবেনা তারা মন্দিরে আসছে টোটো বা অটো ভাড়া করে মন্দিরে আসতে পারেনা এতে সময় কিছুটা কম হবে।
এই মন্দিরে জন্য অনেক বেকার ছেলেদের কর্মসংস্থান গড়ে উঠেছে। অনেক নতুন নতুন হোটেল তৈরি হয়েছে যা তাদের কর্ম ক্ষেত্রে আরও উন্নতি হচ্ছে। এবং সেখানে বহু ওয়াল স্টিকার করা হয়েছে যা দেখলে আপনি মনে করবেন রামের সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্য। সেখান থেকে আপনি চাইলে সাইড সিন করতে পারেন। সাইট সিন করার পর বাড়িত ফেরার জন্য আপনাকে টেনে কিংবা ফ্লাইটে যেতে হবে এবং সেটা থেকেই আপনাকে পুনরায় বাড়ি ফিরতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন