৭ উইকেটে বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে জয়ের ডাবল হ্যাটট্রিক কলকাতার!

 আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয় কলকাতার। ডুপ্লেসি, কোহলিদের বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ১৯ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নিল কেকেআর। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেন নারাইন এবং বেঙ্কটেশ।বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে দাপট অব্যাহত কলকাতার। শুক্রবার অনায়াসে বিরাট কোহলিদের হারিয়ে দিল শ্রেয়স আয়ারের দল। কেকেআর জিতল সাত উইকেটে।


বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে দাপট অব্যাহত কলকাতার। শুক্রবার অনায়াসে বিরাট কোহলিদের হারিয়ে দিল শ্রেয়স আয়ারের দল। কেকেআর জিতল সাত উইকেটে। আগে ব্যাট করে বেঙ্গালুরুর তোলা ১৮২ রান সাত উইকেট বাকি থাকতেই তুলে দিল কেকেআর। ম্যাচের পর আনন্দবাজার অনলাইন বিশ্লেষণ করল কলকাতার জয়ের পাঁচ কারণ।নিঃসন্দেহে জয়ের প্রথম কারণ। ফিল সল্ট এবং সুনীল নারাইন শুরুটা যে ভাবে করলেন তাতে পরের দিকে কলকাতাকে আস্কিং রেট নিয়ে ভাবতেই হয়নি। প্রথম ছয় ওভারে উঠল ৮৫ রান। ম্যাচ ওখানেই কলকাতার পকেটে চলে এল। যে কোনও দলের কাছেই ওপেনিং জুটি ভাল হলে জয়ের সম্ভাবনা বাড়ে। কলকাতার ক্ষেত্রেও তাই হল।

এ বারের আইপিএলে প্রথম দল হিসাবে অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় পেল কেকেআর। ২০১৫ সালের পর থেকে বেঙ্গালুরুর মাঠে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হারেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই নিয়ে বেঙ্গালুরুর মাঠে টানা ছ’টি ম্যাচ জিতল কলকাতা। বিরাট কোহলিদের ৭ উইকেটে হারালেন শ্রেয়স আয়ারেরা। আরসিবির ৬ উইকেটে ১৮২ রানের জবাবে ১৬.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮৬ কেকেআরের। এ দিনের জয়ের সুবাদে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল কেকেআর।বেঙ্কটেশ আউট হলেন ৩০ বলে ৫০ রান করে। মারলেন ৩টি চার এবং ৪টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স এবং রিঙ্কু সিংহ অপরাজিত থাকলেন। শ্রেয়স করলেন ২৪ বলে ৩৯। মারলেন ২টি করে চার এবং ছয়। রিঙ্কু করলেন ৫ বলে ৫ রান। বেঙ্গালুরুর সফলতম বোলার বিশাখ ২৩ রানে ১ উইকেট নিলেন। ২৩ রানে ১ উইকেট ময়ঙ্ক দাগারেরও। ৪৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিলেন যশ দয়াল।

এর আগে টস জিতে প্রতিপক্ষকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক শ্রেয়স। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেন কোহলি। ওপেন করতে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে এল ৮৩ রানের অপরাজিত ইনিংস। ৪টি করে চার এবং ছক্কা এল তাঁর ব্যাট থেকে। তবে ব্যাট হাতে রান পেলেন না বেঙ্গালুরু অধিনায়ক ডুপ্লেসি (৮)। তিন নম্বরে নেমে কোহলিকে সঙ্গ দিলেন ক্যামেরন গ্রিন। তিনি ২১ বলে ৩৩ রান করলেন ৪টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ব্যাট থেকে এল ১৯ বলে ২৮। ৩টি চার, ১টি ছয় মারলেন অস্ট্রেলীয় অলরাউন্ডার। তবে রজত পাটীদার (৩) এবং অনুজ রাওয়াত (৩) পর পর ব্যর্থ হওয়ায় বেঙ্গালুরুর রান তলার গতি একটা সময় কিছুটা কমে যায়। শেষ দিকে ব্যাট হাতে রান তোলার গতি বৃদ্ধি করলেন দীনেশ কার্তিক। ৮ বলে ২০ রানের ইনিংস এল তাঁর ব্যাট থেকে।দ্বিতীয় ম্যাচেও ফিল্ডিং নিয়ে উদ্বেগ থাকবে কেকেআর শিবিরে। বেঙ্গালুরুর মাঠেও তিনটি ক্যাচ ফেললেন নাইটরা। চিন্তা থাকল ২৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় কেনা মিচেল স্টার্ককে নিয়েও। আইপিএলে দ্বিতীয় ম্যাচেও উইকেট পেলেন না। অজি জোরে বোলার খরচ করলেন ৪৭ রান। দু’ম্যাচে ৮ ওভার বল করে ১১০ রান দিয়েও উইকেটহীন স্টার্ক। ৫০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামা নারাইন ৪০ রানে ১ উইকেট নিলেন। তবে ম্যাক্সওয়েলের সহজ ক্যাচও ফেললেন তিনি। এ দিন আইপিএলে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন আন্দ্রে রাসেল। তিনি ২৯ রানে ২ উইকেট নিলেন। হর্ষিত রানা ২ উইকেট ৩৯ রানের বিনিময়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন